ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান ডেঙ্গু রোগ নিয়ন্ত্রণে নগরবাসীর সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেছেন। তিনি বলেছেন, ডেঙ্গু ছড়ানোর প্রধান কারণ এডিস মশা, যা পরিষ্কার জমা পানিতে বংশবিস্তার করে। তাই বাড়ির আঙিনা থেকে শুরু করে আশপাশের সব জায়গায় যেন কোনো স্থানে পানি জমে না থাকে, সেদিকে নজর দিতে হবে। তিনি প্রতি সপ্তাহে অন্তত একদিন বাড়ির চারপাশ পরিষ্কার করার পরামর্শ দিয়েছেন। পাশাপাশি তিনি খালে ময়লা আবর্জনা ও গৃহস্থালির বর্জ্য না ফেলার জন্য নগরবাসীর প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন, কারণ এসব বর্জ্য নর্দমা আটকে মশার প্রজননক্ষেত্র তৈরি করে।
শনিবার দুপুরে ডিএনসিসির অঞ্চল-৪ এর অন্তর্গত ৯ নম্বর ওয়ার্ডের হরিরামপুর সার্বজনীন শ্মশানঘাটে পরিবেশবান্ধব বৈদ্যুতিক মানবদেহ চুল্লি উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এই আধুনিক চুল্লি স্থাপনের মাধ্যমে পরিবেশ দূষণ রোধে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, যত বাধা-বিপত্তি আসুক না কেন, জনগণের কল্যাণে ভালো কাজ চালিয়ে যেতে হবে। তিনি সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশ গঠনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে ডিএনসিসি প্রশাসক আরও বলেন, রাজনৈতিক দলের যাতে কোনো বদনাম না হয় এবং দলের ভাবমূর্তি যেন কেউ প্রশ্নবিদ্ধ করতে না পারে, সেদিকে নেতাকর্মীদের সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে। তিনি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রতি ঐক্য ও সম্মানের মনোভাব প্রকাশ করে বলেন, তাদের পাশে থাকার কাজটি আমাদের মাধ্যমে প্রমাণিত হতে হবে। তিনি আসন্ন সিটি করপোরেশন নির্বাচনে উত্তর সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থী হতে ইচ্ছুকদের প্রতি নির্দেশ দিয়ে বলেন, জনগণের সেবা ও ভালো কাজের মাধ্যমেই প্রার্থীদের যোগ্যতা প্রমাণ করতে হবে। যারা সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডে মানুষের সমস্যা সমাধানে সক্রিয় থাকবেন, তারাই সুপারিশ পাওয়ার যোগ্য বিবেচিত হবেন।
প্রশাসক দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতিটি ওয়ার্ডে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও ডেঙ্গু মশা নিধনের মতো সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, মশা নিয়ন্ত্রণে শুধু সিটি করপোরেশনের প্রচেষ্টাই যথেষ্ট নয়, বরং জনগণের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ অপরিহার্য। এ সময় তিনি স্থানীয় শ্মশান ঘাট কমিটির বিভিন্ন দাবি যৌক্তিক ও অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বাস্তবায়নে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
অনুষ্ঠানে সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্য সানজিদা ইসলাম তুলি ও ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি বিশেষ বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। তারা হরিরামপুর সার্বজনীন শ্মশানঘাটে পরিবেশবান্ধব বৈদ্যুতিক মানবদেহ চুল্লি প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য ডিএনসিসি প্রশাসককে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। তারা বলেন, এই উদ্যোগ ধর্মীয় ও পরিবেশগত দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি অন্যান্য এলাকার জন্যও অনুকরণীয় উদাহরণ হয়ে থাকবে।
উল্লেখ্য, ডেঙ্গু প্রতিরোধে সিটি করপোরেশন নিয়মিত মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করলেও রোগী বাড়তে থাকায় জনসচেতনতা বৃদ্ধি জরুরি হয়ে পড়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আষাঢ় মাসে বৃষ্টি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই এডিস মশার প্রজনন বাড়ে, তাই এ সময় বাড়ির ছাদ, ফুলের টব, পুরোনো টায়ার, ডোবা ও বিভিন্ন গৃহস্থালি পাত্রে পানি জমতে দেওয়া যাবে না। সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে বিভিন্ন ওয়ার্ডে সচেতনতামূলক প্রচারণা ও ফগিং কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। তবে প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান বারবার বলেছেন, নগরবাসী যদি নিজ দায়িত্ববোধ থেকে বাড়ি ও আশপাশ পরিষ্কার রাখেন, তাহলে ডেঙ্গু সংক্রমণ অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব।
ডেঙ্গু প্রতিরোধে নগরবাসীর করণীয় সম্পর্কে ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, বাড়ির ভেতরে ও বাইরে রাখা ফুলের টবের পানি প্রতি তিন দিন অন্তর পরিবর্তন করতে হবে, পুরোনো টায়ার বা ড্রামে পানি জমতে দেওয়া যাবে না, পানি সংরক্ষণের পাত্রগুলো ঢেকে রাখতে হবে এবং জমে থাকা পানি পরিষ্কার করতে হবে। এ ছাড়া তিনি খাল ও নালাগুলোতে পলিথিন, বোতল বা অন্যান্য বর্জ্য ফেলতে নিষেধ করেন, কারণ এগুলো পানিপ্রবাহে বাধা সৃষ্টি করে মশার বিস্তার ঘটায়। তিনি আরও বলেন, সরকার এককভাবে নয়, বরং জনতা, সিটি করপোরেশন ও রাজনৈতিক নেতৃত্বের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব।
সভায় স্থানীয় নেতাকর্মী ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে প্রশাসকের কাছে আরও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান। প্রশাসক তাৎক্ষণিকভাবে ওয়ার্ডভিত্তিক পরিচ্ছন্নতা অভিযান জোরদার এবং জনপ্রতিনিধিদের সমন্বয়ে বিশেষ টাস্কফোর্স গঠনের কথা জানান। তিনি বলেন, সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে বিনামূল্যে মশার ঔষধ প্রয়োগ ও সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণের পাশাপাশি স্কুল ও মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে অভিভাবকদের মশাবিরোধী প্রচারণায় সম্পৃক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
প্রশাসক আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় দেশে স্বাস্থ্যসেবা ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড জোরদার করা হচ্ছে। তিনি নগরবাসীর কাছে প্রত্যাশা করেন, প্রতিটি বাড়িই হবে মশামুক্ত নিরাপদ আবাস। তিনি বলেন, ডেঙ্গু শুধু চিকিৎসার সমস্যা নয়, এটি সামাজিক চেতনারও বিষয়। তাই সবাই নিজ অবস্থান থেকে সচেতন হলে এ রোগের প্রকোপ অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব।
অনুষ্ঠানের শেষ অংশে প্রশাসক হরিরামপুর সার্বজনীন শ্মশানঘাটের উন্নয়নে আরও কিছু অবকাঠামোগত উদ্যোগ গ্রহণের কথা জানান। তিনি স্থানীয় জনগণের মতামত গ্রহণ করে সেখানে আরও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ ও সুবিধাদি বৃদ্ধির প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি বলেন, ধর্মীয় স্থাপনা ও গণকেন্দ্রগুলোতে আধুনিক সুবিধা নিশ্চিত করা সিটি করপোরেশনের অন্যতম লক্ষ্য।
ডেঙ্গু মোকাবিলায় আজকের দিনটি একটি স্মারক দিন হিসেবে চিহ্নিত হবে বলেও তিনি মনে করেন। কারণ বৈদ্যুতিক শ্মশান চুল্লি উদ্বোধন যেমন পরিবেশ রক্ষায় ভূমিকা রাখবে, তেমনি ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনমত গঠনের এ অনুষ্ঠান নগরবাসীকে সচেতন করতে কাজ করবে। প্রশাসক শেষে বলেন, নগরীর প্রতিটি নাগরিক যেন নিজেকে ডেঙ্গুর বিরুদ্ধে যোদ্ধা হিসেবে গড়ে তোলেন, সেটাই তাঁর কামনা। তিনি সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নির্দেশ দেন, যাতে ডেঙ্গু প্রতিরোধী কার্যক্রম নির্বিঘ্নে চলতে থাকে এবং কোনো অভিযোগ পাওয়া গেলে দ্রুত সমাধান করা হয়।
এ প্রসঙ্গে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, চলতি বছর ডেঙ্গুর প্রকোপ গত কয়েক বছরের তুলনায় বেশি হতে পারে, কারণ আবহাওয়া অনুকূল রয়েছে। তারা নগরবাসীকে রাতে ঘুমানোর সময় মশারি ব্যবহার করার পাশাপাশি বাড়ির দরজা-জানালা বন্ধ রাখার পরামর্শ দিয়েছেন। এ ছাড়া ডেঙ্গুর লক্ষণ যেমন জ্বর, মাথাব্যথা, গাঁটে ব্যথা বা রক্তবমি দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যোগাযোগ করতে বলেন। কর্তৃপক্ষও নিশ্চিত করেছে যে শহরের সব সরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীদের জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রয়েছে।
সবশেষে প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান সবার প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘আমরা যদি প্রতিটি পরিবারে সপ্তাহে একদিন করে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার অভ্যাস গড়ে তুলি, তাহলে ডেঙ্গুর বিরুদ্ধে আমাদের জয় নিশ্চিত। নগরবাসীর সহায়তা ছাড়া এই যুদ্ধ সম্ভব নয়। তাই সকলে এগিয়ে আসুন, নিজের বাড়ি নিজে পরিষ্কার রাখুন, পাশের বাড়িকেও উৎসাহিত করুন।’ তাঁর এই আহ্বানের মধ্য দিয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সম্মিলিত প্রচেষ্টার গুরুত্ব ফুটে ওঠে।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা, স্বাস্থ্য বিভাগের প্রতিনিধি ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা প্রশাসকের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, এই ধরনের সচেতনতামূলক কর্মসূচি ভবিষ্যতেও নিয়মিতভাবে আয়োজন করা উচিত। উল্লেখযোগ্য হলো, গত বছর ডেঙ্গুতে আক্রান্তের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য ছিল, যা স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ওপর চাপ সৃষ্টি করেছিল। তাই এ বছর আগে থেকেই সতর্ক পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
প্রশাসক আরও উল্লেখ করেন, যে সব এলাকায় ডেঙ্গু রোগী বেশি পাওয়া যায়, সেখানে বিশেষ নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও স্থানীয় নেতাদের সমন্বয়ে সেখানে বাড়ি বাড়ি গিয়ে সচেতনতামূলক প্রচারণা চালানো হচ্ছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো হয়েছে, যাতে কোনো রোগী আক্রান্ত হলে তাৎক্ষণিকভাবে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে রিপোর্ট করা যায়।
এছাড়া ডিএনসিসির পক্ষ থেকে ইতিমধ্যে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ডেঙ্গু নিয়ে পোস্টার, লিফলেট ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। ভবিষ্যতে এই কর্মসূচি আরও সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে। প্রশাসক সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে জানান, ডেঙ্গু প্রতিরোধে বাজেট বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় কীটনাশক ও সরঞ্জাম পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে।
অনুষ্ঠানের শেষে প্রশাসক হরিরামপুর শ্মশানঘাট এলাকায় আরও উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণের ব্যাপারে আশ্বস্ত করেন এবং আগামী তিন মাসের মধ্যে একটি সমীক্ষা প্রতিবেদন তৈরির নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, জনগণের চাহিদা অনুযায়ী কাজ করাই তাঁর লক্ষ্য। এ সময় তিনি আবারও নগরবাসীকে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেষ্ট থাকার অনুরোধ জানান এবং বলেন, ‘সিটি করপোরেশন আপনার পাশে আছে, কিন্তু প্রকৃত পরিবর্তন আনতে আপনাদেরও ভূমিকা রাখতে হবে।’
উল্লেখ্য, বৈদ্যুতিক মানবদেহ চুল্লি উদ্বোধনকালে প্রশাসক শ্মশানঘাটের পরিবেশ দূষণ কমাতে এই চুল্লির ভূমিকার প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, এই প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে ধোঁয়া ও বিষাক্ত গ্যাসের নির্গমন অনেকাংশে কমে যাবে, যা নিকটবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের জন্য স্বস্তিদায়ক হবে। তিনি বলেন, পরিবেশ রক্ষায় এই পদক্ষেপ একটি দৃষ্টান্ত, এবং ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণের মতো জনস্বাস্থ্য বিষয়েও একই নিষ্ঠা নিয়ে কাজ করা হবে।
ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নগরবাসীর মধ্যে ইতিবাচক সাড়া লক্ষ্য করা গেছে। অনেকেই প্রশাসকের আহ্বানে সাড়া দিয়ে নিজ নিজ বাড়ি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার অঙ্গীকার করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক পোস্ট ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। চিকিৎসকরা মনে করছেন, ডেঙ্গুর প্রকোপ মোকাবিলায় সাধারণ মানুষের সচেতনতাই সবচেয়ে বড় অস্ত্র। তাই এই সচেতনতা ধরে রাখতে নিয়মিত প্রচারণা প্রয়োজন।
ডিএনসিসি প্রশাসকের আজকের বক্তব্যে ডেঙ্গু প্রতিরোধের পাশাপাশি সামাজিক ঐক্য, রাজনৈতিক দায়বদ্ধতা এবং নগর পরিষেবার উন্নয়ন—সবকিছুই উঠে এসেছে। তিনি নগরবাসীকে আশ্বস্ত করেছেন যে, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সিটি করপোরেশন সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে এবং কোনো ধরনের অবহেলা করা হবে না। পাশাপাশি তিনি পরিবেশগত বিষয়গুলোতে সংবেদনশীলতা দেখিয়ে একটি সমন্বিত নগর উন্নয়নের স্বপ্ন ব্যক্ত করেছেন।
সবশেষে তিনি বলেন, ডেঙ্গু একটি সাময়িক সমস্যা নয়, এটি প্রতিবছরই ফিরে আসে। তাই দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, পানির উৎস শনাক্তকরণ এবং দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। তিনি সকল রাজনৈতিক দল, জনপ্রতিনিধি, বেসরকারি সংস্থা ও সাধারণ নাগরিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘আমরা যদি একসাথে কাজ করি, তাহলে ডেঙ্গু মুক্ত একটি সুস্থ ঢাকা গড়ে তোলা সম্ভব।’ এই আহ্বানের মধ্য দিয়ে তিনি ডেঙ্গু প্রতিরোধে একটি স্থায়ী সমাধানের পথ নির্দেশ করেন।